আমরা বিশ্বাস করি বিনোদন হওয়া উচিত নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সত্যিকারের আনন্দদায়ক। সেই বিশ্বাস থেকেই jelievo-র যাত্রা শুরু।
jelievo কেবল একটি অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম নয় – এটি বাংলাদেশের কোটি মানুষের বিনোদনের একটি বিশ্বস্ত ঠিকানা। ঢাকার ব্যস্ত রাস্তা থেকে শুরু করে সুন্দরবনের কাছের মফস্বল শহর পর্যন্ত, jelievo পৌঁছে গেছে সবার কাছে।
আমাদের শুরুটা হয়েছিল একটি সহজ প্রশ্ন থেকে: বাংলাদেশের মানুষ কেন বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পাবেন না? প্রযুক্তি এখন সবার হাতে। স্মার্টফোন আছে, ইন্টারনেট আছে। কিন্তু ভালো, নির্ভরযোগ্য এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মানানসই একটি প্ল্যাটফর্মের অভাব ছিল।
সেই অভাব পূরণ করতেই jelievo-র জন্ম। আমরা বাংলাদেশের মানুষের ভাষায়, তাঁদের পছন্দের পেমেন্ট পদ্ধতিতে এবং তাঁদের ইন্টারনেটের গতির কথা মাথায় রেখে পুরো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি। এখানে কোনো ইংরেজি ভাষার ঝামেলা নেই, কোনো জটিল প্রক্রিয়া নেই।
"আমরা শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম বানাইনি। আমরা বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিনোদনের নতুন দরজা খুলেছি – যেখানে প্রবেশ করা সহজ, থাকা আনন্দদায়ক এবং চলে যাওয়ার ইচ্ছে করে না।"
বিকাশ, নগদ ও রকেটে পেমেন্ট সাপোর্ট, বাংলা ইন্টারফেস, ২জি নেটে কাজ করার অপ্টিমাইজেশন এবং ৬৪ জেলায় সক্রিয় ব্যবহারকারী – এই সব কিছু বলে দেয় আমরা কাদের জন্য কাজ করছি।
jelievo আন্তর্জাতিক গেমিং লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। ২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন এবং রিয়েল-মানি লেনদেনের জন্য আলাদা সুরক্ষিত গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়। আপনার তথ্য এবং অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ।
ইন্টারফেস, সাপোর্ট, পেমেন্ট নির্দেশনা – সব কিছু বাংলায়। jelievo বিশ্বাস করে যে নিজের ভাষায় সেবা পেলে অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও আনন্দদায়ক হয়।
পুরনো Samsung J7 থেকে শুরু করে সর্বশেষ iPhone পর্যন্ত – jelievo-র অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট সব ডিভাইসে স্মুথভাবে চলে। ২জি নেটেও গেম লোড হয়।
বিকাশ, নগদ ও রকেটে সহজ ডিপোজিট ও উইথড্র। সর্বনিম্ন ডিপোজিট মাত্র ১০০ টাকা। জেতার টাকা গড়ে ৫–১৫ মিনিটে আপনার মোবাইলে পৌঁছে যায়।
রাত ৩টায়ও সমস্যা হলে বাংলায় কথা বলতে পারবেন। লাইভ চ্যাটে সাধারণত ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে সাড়া পাওয়া যায়। টেলিগ্রাম ও ইমেইল সাপোর্টও আছে।
বিশ্বের ২০+ শীর্ষ গেম ডেভেলপারের সাথে অংশীদারিত্বের কারণে jelievo-তে প্রতি সপ্তাহে নতুন গেম আসে। ৫০০-এর বেশি গেমের মধ্যে সবার জন্য কিছু না কিছু আছেই।
jelievo-র পথচলা কখনো মসৃণ ছিল না। প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ, বাজারের পরিবর্তন এবং ব্যবহারকারীদের ক্রমবর্ধমান প্রত্যাশার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের প্রতিনিয়ত নিজেদের আপগ্রেড করতে হয়েছে। প্রতিটি বাধা আমাদের আরও শক্তিশালী করেছে।
শুরুতে মাত্র কয়েকশো সদস্য নিয়ে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল আজ সেই সংখ্যা লক্ষাধিক ছাড়িয়ে গেছে। রংপুর থেকে কক্সবাজার, ময়মনসিংহ থেকে বরিশাল – দেশের প্রতিটি জেলায় jelievo-র সদস্যরা ছড়িয়ে আছেন।
একটি ছোট দল নিয়ে বাংলাদেশের বাজারের জন্য বিশেষভাবে তৈরি গেমিং প্ল্যাটফর্মের কাজ শুরু হয়। প্রথম বেটা ভার্সন ঢাকার ব্যবহারকারীদের কাছে পরীক্ষামূলকভাবে উন্মুক্ত করা হয়।
বিকাশ ও নগদের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন হয়। এই পদক্ষেপ jelievo-কে সাধারণ মানুষের নাগালে নিয়ে আসে। মাসের মধ্যেই সদস্য সংখ্যা পাঁচগুণ বেড়ে যায়।
ক্রিকেট, ফুটবল ও কাবাডিসহ ৫০+ খেলায় লাইভ বেটিং শুরু হয়। বাংলাদেশ জাতীয় দলের ম্যাচের দিনে ট্র্যাফিক রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়।
Android ও iOS অ্যাপ একযোগে লঞ্চ হয়। ৬৪ জেলায় সক্রিয় সদস্যদের তথ্য প্রথমবার নিশ্চিত হয়। রকেট পেমেন্ট গেটওয়েও যুক্ত হয়।
jelievo বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে স্বীকৃতি পায়। ৫০০+ গেম ও ২০+ প্রোভাইডারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে এই মূল্যবোধগুলো কাজ করে – ব্যবসায়িক নয়, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে।
প্রতিটি গেমের RTP, বোনাসের শর্ত, উইথড্রের নিয়ম – সব কিছু পরিষ্কার ভাষায় লেখা থাকে। কোনো লুকানো চার্জ বা অস্পষ্ট শর্ত নেই।
প্রতিটি ফিচার, প্রতিটি আপডেট সদস্যদের মতামত ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে তৈরি হয়। ব্যবহারকারীর প্রতিক্রিয়া jelievo-র সবচেয়ে বড় গাইড।
গেমিং আনন্দের হওয়া উচিত, কষ্টের নয়। jelievo-তে স্বেচ্ছায় সীমা নির্ধারণ, বিরতি নেওয়া এবং সাহায্য পাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলা এবং বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল চাহিদার সাথে মানিয়ে নেওয়া jelievo-র স্বভাব।
সদস্যের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থ সুরক্ষায় আমরা শিল্পের সর্বোচ্চ মান মেনে চলি। নিরাপত্তায় কোনো আপস নেই।
আমরা বৈশ্বিক মানের সেবা দিই কিন্তু সিদ্ধান্ত নিই বাংলাদেশের বাস্তবতার কথা মাথায় রেখে। স্থানীয়তাই আমাদের শক্তি।
jelievo-র পেছনে একটি বৈচিত্র্যময় দল কাজ করে যারা প্রযুক্তি, গেমিং এবং বাংলাদেশের বাজার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন। প্রতিটি গেম যুক্ত হওয়ার আগে সেটি পরীক্ষা করা হয় – RTP সত্যিই যা দাবি করা হয়েছে সেটা আছে কিনা, গেমটি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা।
পেমেন্ট সিস্টেমের ক্ষেত্রে jelievo কোনো মধ্যস্থতাকারীর উপর নির্ভর করে না। বিকাশ, নগদ ও রকেটের সাথে সরাসরি ইন্টিগ্রেশনের কারণে লেনদেন দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য। একটি উইথড্র রিকোয়েস্ট সাধারণত ৫ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে প্রক্রিয়া হয়ে যায় – এটি বাংলাদেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রিতে সবচেয়ে দ্রুত।
সাপোর্ট টিম সম্পর্কে বলতে গেলে, আমাদের সব সাপোর্ট প্রতিনিধি বাংলাদেশি। তাঁরা ব্যবহারকারীর সমস্যাটা বোঝেন কারণ তাঁরা নিজেরাও এই সংস্কৃতির মানুষ। "ভাই, বিকাশে টাকা আটকে গেছে" বা "স্কিন মিলেছে কিন্তু ব্যালেন্সে যোগ হয়নি" – এই ধরনের সমস্যার কথা বলার জন্য দীর্ঘ ইংরেজি ব্যাখ্যা দিতে হয় না।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ের প্রতি jelievo-র প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে নয়, বাস্তবে। প্রতিটি অ্যাকাউন্টে দৈনিক বা সাপ্তাহিক বাজির সীমা নির্ধারণের অপশন আছে। কেউ যদি মনে করেন গেমিং তাঁর জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তাহলে সাময়িক বা স্থায়ীভাবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ রাখার সুবিধাও আছে। বিনোদন যেন কখনো বোঝা না হয় সেটাই jelievo-র চাওয়া।
ভবিষ্যতে jelievo আরও বেশি স্থানীয় খেলাধুলার ইভেন্ট কভার করতে চায়। বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ, ফুটবল লিগ এবং কাবাডি টুর্নামেন্ট – এই সব ইভেন্টে বেটিং সুবিধা দেওয়াই আমাদের পরবর্তী বড় লক্ষ্য। দেশের খেলা দেশের মাটিতে উপভোগ করার আনন্দটা আলাদা।
প্রযুক্তি, গেমিং ও গ্রাহকসেবায় অভিজ্ঞ একটি নিবেদিত দল
১২ বছরের অনলাইন গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের বাজারে গেমিং প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছেন ২০১৫ সাল থেকে।
সাইবার নিরাপত্তা ও ফিনটেক বিশেষজ্ঞ। jelievo-র পেমেন্ট সিকিউরিটি সিস্টেম তাঁর নেতৃত্বেই তৈরি।
গেম পার্টনারশিপ ও প্রোভাইডার চুক্তির দায়িত্বে। ২০+ আন্তর্জাতিক গেম কোম্পানির সাথে সম্পর্ক তৈরিতে মূল ভূমিকা।
২৪/৭ সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। সদস্যদের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য।
লক্ষাধিক সদস্যের সাথে যোগ দিন যারা ইতোমধ্যে jelievo-তে বিশ্বমানের বিনোদন উপভোগ করছেন। নিবন্ধন বিনামূল্যে, প্রথম ডিপোজিটে বোনাস নিশ্চিত।